শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
গরম পানি
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে ইহাম উদ্দীন (১ বছর ৪ মাস) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
লেবু শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস পান করার অভ্যাস বহু মানুষের মধ্যেই দেখা যায়—বিশেষত যারা ওজন কমাতে আগ্রহী।
দেশে শীতের শুরুতে তীব্রতা কিছুদিন কম থাকলেও গত কয়েক দিনে হঠাৎ করেই ঠান্ডা বেড়ে গেছে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশে। এমন আবহাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।
শীতকালে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ঠান্ডা, কাশি, জ্বর, গলাব্যথা ইত্যাদি হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় শীতের সকালে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে স্বস্তি মিলবে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় শরীরের তাপমাত্রা কমে হাইপোথার্মিয়াও হতে পারে।
অনেক মুসলমানের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, ঠান্ডা পানি দিয়ে অজু করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, আর গরম পানি ব্যবহার করলে সেই সওয়াব কমে যায়। বিশেষ করে শীতকালে এই প্রশ্নটি বেশি শোনা যায়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করা স্বাস্থ্য রক্ষার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানির উষ্ণতা শরীরের ব্যথা স্থানে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে সেখানে ব্যথা কমাতে এবং সেই স্থান ঠিক হতে সাহায্য করে। এছাড়া, হাড়ের গাঁটে ব্যথা কমাতেও গরম পানি ব্যবহার হয়।
সারাদিন মারাত্মক খাটুনি হয়েছে শরীরের। ধকল গেছে মনের ও শরীরের। এমন যদি রোজকার রুটিন হয় তাহলে ঘুমানোর আগে ছোট একটি কাজ করুন। একটি বৌল বা বালতিতে গরম পানি নিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। এতে পায়ের ব্যথা যেমন কমবে, তেমনি শরীরে মিলবে স্বস্তি।